শ্রীগঙ্গামাতা গোস্বামিনী



শ্রীগঙ্গামাতা গোস্বামিনী বর্ত্তমান বাংলাদেশের রাজসাহী জেলার অন্তর্গত পুঁটিয়ার রাজা ছিলেন শ্রীযুত নরেশনারায়ণ। তাঁর শচী নাম্নী একমাত্র কন্যা ছিল। শচী শিশুকাল থেকে ভগবদ্‌ভক্তি পরায়ণা। শচী অল্পকাল মধ্যে ব্যাকরণ কাব্য প্রভৃতি শাস্ত্রে বিশেষ ব্যুৎপন্ন হন। শচীর বয়স হলে তাঁর নব যৌবন সকলকে মুগ্ধ করতে লাগলেন। কিন্তু শচীর মন জগতের কোন সৌন্দৰ্য্যশালী কিম্বা ঐশ্বৰ্যশালী পুরুষের প্রতি আকৃষ্ট হল না। তাঁর মন পড়ে রইল শ্রীমদন গোপালের উপর। 
শ্রীযুত নরেশনারায়ণ কন্যার বিবাহের জন্য চিন্তিত হয়ে পড়লেন। শ্রী শচী তা' জানতে পেরে বললেন—তিনি কোন মর্ত্য মরণশীল পুরুষকে বিবাহ করবেন না। রাজা রাণী শিরে হাত দিয়ে বসলেন। একমাত্র কন্যা বিবাহ করতে চায় না। এ সব চিন্তা করতে করতে রাজা ও রাণী স্বধাম প্রাপ্ত হলেন । রাজ্যভার পড়ল শ্রীশচীর উপর। তিনি কিছু দিন রাজকার্য্য দেখাশুনা করবার পর স্বজন প্রতিনিধিগণের উপর ভার দিয়ে তীর্থ পর্যটনে বের হলেন। কোথায়ও চিত্তের সন্তোষ উৎপাদন হল না। সদ্গুরুর অনুসন্ধান করতে লাগলেন। পুরী ধামে এলেন। কয়েক দিন দর্শনাদি করবার পর, কোন এক প্রেরণায় শ্রীব্রজধামে এলেন। এইবার শ্রীশচীর সৌভাগ্য-শশী উদিত হল।
তথায় শ্রীগৌর নিত্যানন্দের একান্ত অনুরক্ত শ্রীহরিদাস পণ্ডিত গোস্বামীর সঙ্গে তাঁর সাক্ষাৎকার হল । তাঁর দিব্য তেজ এবং বৈরাগ্য মূর্ত্তি দর্শন করে শ্রীশচী পরম আনন্দিত হলেন, মনে মনে চিন্তা করলেন বহু দিন পরে তিনি যেন আশ্রয় পেয়েছেন।শ্রীশচী হরিদাস পণ্ডিত গোস্বামীর শ্রীচরণে দণ্ডবৎ হয়ে পড়লেন ও প্রেমার্ণ নয়নে করজোড়ে তাঁর কৃপা প্রার্থনা করলেন। পণ্ডিত গোসাঞির শিষ্য অনন্ত আচার্য্য। 
কৃষ্ণপ্রেমময় তনু উদার সর্ব্ব আর্য্য।।
তাঁর প্রিয় শিষ্য ইহা পণ্ডিত হরিদাস ।। 
তাঁর অনন্ত গুণ কে করু প্রকাশ। 
(চৈঃ চঃ আদিলীলা) 
শ্রীগদাধর পণ্ডিত গোস্বামীর শিষ্য শ্রীঅনন্ত আচার্য্য। তিনি সর্ব্বদ কৃষ্ণপ্রেমে বিহ্বল হয়ে থাকতেন। তাঁর প্রিয় শিষ্য ছিলেন শ্রীহরিদাস পণ্ডিত শ্রীহরিদাস পণ্ডিত গোস্বামী শ্রীশচীকে পরীক্ষা করবার জন্য বললেন রাজকন্যার পক্ষে ব্রজে থেকে নিষ্কিঞ্চন ভাবে ভজন করা সম্ভবপর নয়। গৃহে থেকে ভজন করা তোমার পক্ষে ভাল হবে। শ্রীশচীদেবী বুঝতে পারলেন এ সব কথা ছল করে বলা হল। শ্রীশচী সে কথায় কান দিলেন না। তীব্র বৈরাগের সহিত সেবা করতে লাগলেন। ক্রমে ক্রমে তিনি উত্তম বস্ত্রাদি পরিধান করা কিম্বা অলঙ্কারাদি ব্যবহার করা একবারেই বর্জ্জন করলেন। একদিন শ্রীহরিদাস পণ্ডিত গোস্বামী শ্রীশচীকে বললেন— যদি লজ্জা, মান ও ভয় ত্যাগ করে ব্রজে মাধুকরী করতে পার তবে কৃপা পেতে পার। শ্রীশচী গুরুবাক্য শ্রবণ করে অতি আনন্দিত হলেন। তখন হতে অভিমান শূন্য হয়ে সামান্য একখানা মলিন বস্ত্রে গাত্র আবৃত করে ব্রজবাসিগণের গৃহে গৃহে মাধুকরী করতে লাগলেন। ব্রজবাসিগণ তাঁর অঙ্গের দিব্য তেজ দেখে বুঝতে পারতেন তিনি অসাধারণ স্ত্রীলোক। 
তাঁর তীব্র বৈরাগ্যে বৈষ্ণবগণ চমৎকৃত হলেন। শ্রীশচীর অঙ্গখানি অতিশয় ক্ষীণ ও মলিন হয়ে পড়ল ৷ তাতে তিনি ভ্রূক্ষেপ না করে নিয়মিত যমুনা স্নান, মন্দির মার্জন, পরিক্রমা, আরাত্রিক দর্শন ও কথা শ্রবণাদি করতে লাগলেন। শ্রীশচীর তীব্র বৈরাগ্য দেখে শ্রীহরিদাস পণ্ডিত গোস্বামীর মনে কৃপার উদ্রেক হল। তিনি শ্রীশচীকে ডেকে হাস্য করতে করতে বললেন- তুমি রাজকুমারী হয়েও শ্রীকৃষ্ণভজন প্রয়াসে যে এত ত্যাগ ও বৈরাগ্য দেখিয়েছ তাতে আমি পরম সুখী হয়েছি। তুমি শীঘ্র মন্ত্র গ্রহণ কর। অনন্তর শ্রীশচী চৈত্রী শুক্ল- ত্রয়োদশীর দিন শ্রীহরিদাস পণ্ডিত গোস্বামীর থেকে রাধাকৃষ্ণ মন্ত্র দীক্ষা গ্রহণ করলেন। 
শ্রীশচী অষ্টাদশাক্ষর মন্ত্র পেয়ে শ্রীকৃষ্ণপ্রেমময়ী হলেন। তিনি অতি দীনহীন ভাবে শ্রীগুরু গোবিন্দের সেবা করতে লাগলেন এবং প্রতিদিন পণ্ডিত গোস্বামীর নিকট গোস্বামী শাস্ত্রাদি শ্রবণ করতে লাগলেন। অল্পকালেই শ্রীশচী গোস্বামী সিদ্ধান্তে পারঙ্গত দেখে সকলে পরম সুখী হলেন। শ্রীলক্ষ্মীপ্রিয়া নাম্নী শ্রীহরিদাস পণ্ডিত গোস্বামীর একজন পরম স্নিগ্ধা শিষ্যা এ সময় বৃন্দাবনে এলেন। লক্ষ্মীপ্রিয়া প্রত্যহ তিন লক্ষ হরিনাম করতেন। পণ্ডিত গোস্বামী তাঁকে আদেশ করলেন-তিনি যেন শচীকে নিয়ে শ্রীরাধাকুন্ডে ভজন করেন। শ্রীলক্ষ্মীপ্রিয়া শ্রীগুরুদেবের বাণী শিরে ধারণ করে শ্রীশচীসহ রাধাকুণ্ডে এলেন ও ভজন করতে লাগলেন। শ্রীশচী লক্ষ্মীপ্রিয়ার সঙ্গে প্রতিদিন গোবর্দ্ধন পরিক্রমা করতে লাগলেন। শ্রীশচী এভাবে রাধাকুণ্ডে তীব্র ভজন করতে থাকলে শ্রীহরিদাস পণ্ডিত গোস্বামী তাঁকে ডেকে আদেশ করলেন— তুমি শীঘ্র শ্রীপুরী ধামে গিয়ে ভজন কর এবং শ্রীগৌরাঙ্গসুন্দরের বাণী শ্রদ্ধালু জনদের মধ্যে প্রচার কর। 
তথাকার গৌর-পার্ষদগণ প্রায় অপ্রকট লীলা করেছেন। শ্রীশচী বৃন্দাবন থেকে ক্ষেত্র ধামে এলেন এবং গুরুদেবের নির্দ্দেশ অনুযায়ী শ্রীসাৰ্ব্বভৌম পণ্ডিতের গৃহে থেকে ভজন করতে লাগলেন এবং শ্রদ্ধালুজনের নিকট শ্রীমদ্ভাগবত পাঠ করতে লাগলেন। সাৰ্ব্বভৌম পণ্ডিতের গৃহটি বহুদিন লোকজন না থাকায় জীর্ণ শীর্ণ হয়েছিল, তথায় কেবল মাত্র সাৰ্ব্বভৌম সেবিত শ্রীদামোদর শালগ্রাম বিরাজ করছিলেন। শ্রীশচী তথায় অবস্থান পূৰ্ব্বক নিয়মিত ভজন করতে লাগলেন। শ্রীশচীদেবীর অপূর্ব ভাগবত সিদ্ধান্ত শ্রবণ করবার জন্য শ্রদ্ধালু সজ্জন দিনের পর দিন তাঁর স্থানে আসতে লাগলেন। অল্পকালের মধ্যে প্রসিদ্ধ ভাগবত বক্তা হিসাবে তাঁর খ্যাতি চারিদিকে ছড়িয়ে পড়ল । 
পুরীর রাজা শ্রীমুকুন্দদেব একদিন শ্রীশচীদেবীর স্থানে ভাগবত শুনতে এলেন। তাঁর অপূর্ব সিদ্ধান্ত শুনে বড়ই আকৃষ্ট হলেন। মনে-মনে তাঁকে কিছু অর্পণ করতে ইচ্ছা করলেন। ঠিক সেই দিবসের রাত্রে স্বপ্নে দেখতে লাগলেন— “শ্রীজগন্নাথ বলছেন শচীকে শ্বেত গঙ্গার নিকটবর্ত্তী স্থানটি অর্পণ কর।” পরদিন প্রাতে রাজা মুকুন্দদেব শ্রীশচী দেবীর নিকট এলেন। অতি বিনীতভাবে রাজাকে বসবার আসন দিয়ে শ্রীশচী তাঁর আসবার কারণ জিজ্ঞাসা করলেন। শ্রীমুকুন্দদের শ্রীজগন্নাথদেবের আদেশের কথা জ্ঞাপন করে শ্বেত গঙ্গার নিকটবর্ত্তী স্থানটি গ্রহণ করতে প্রার্থনা করলেন। শ্রীশচী বিষয় সম্পত্তি গ্রহণে অসম্মতা হলেন । রাজা বারংবার বলতে লাগলেন। তখন শ্রীজগন্নাথের আদেশ জেনে রাজী হলেন। শ্রীমুকুন্দদেব শ্রীশচীর নামে শ্বেতগঙ্গার নিকটবর্ত্তী ভূসম্পত্তি দান পত্র করে দিলেন। শ্রীশচী যে একজন রাজকুমারী তা পূর্ব্বেই পুরীধামে প্রচারিত হয়েছিল। একবার মহাবারুণী স্নানের যোগ উপস্থিত হলে শ্রীশচী গঙ্গা স্নানে যাবার ইচ্ছা করলেন। কিন্তু শ্রীগুরুদেবের নির্দ্দেশ শ্রীক্ষেত্রেই অবস্থান করা।
শ্রীগুরুদেবের কথা স্মরণ করে তিনি গঙ্গা স্নানে যাবার ইচ্ছা ত্যাগ করলেন। সেই রাত্রে শ্রীজগন্নাথদেব শ্রীশচীকে স্বপ্নে বললেন—“শচী কোন চিন্তা কর না। যে দিন বারুণী স্নান হবে, সে দিন তুমি শ্বেত গঙ্গায় স্নান কর। গঙ্গা দেবী তোমার সঙ্গ-প্রার্থিনী হয়ে শ্বেত গঙ্গায় আসবে।” স্বপ্ন দর্শন করে শ্রীশচীদেবী বড় আনন্দিত হলেন। বারুণী স্নানের যোগ উপস্থিত হল। শ্রীশচী একাকী মধ্যরাত্রে শ্বেত-গঙ্গায় স্নান করতে গেলেন। তিনি যেমন শ্বেত গঙ্গায় নামলেন অমনি গঙ্গাদেবী মহাস্রোতে তাঁকে ভাসিয়ে নিয়ে চললেন। তিনি ভাসতে ভাসতে শ্রীজগন্নাথের মন্দিরের অভ্যন্তরে এসে উপস্থিত হলেন। তথায় দেখলেন ক্ষেত্রবাসী সহস্ৰ সহস্ৰ লোক সানন্দে স্নান করছেন। চতুৰ্দ্দিকে স্তব স্তুতি আনন্দ কোলাহল। তিনি সেই আনন্দ কোলাহলের মধ্যে আনন্দে স্নান করছেন। 
এ কোলাহলে মন্দিরের দ্বার-রক্ষকগণের নিদ্রা ভেঙ্গে গেল। তারা অবাক হয়ে চারিদিকে দেখতে লাগলেন। শুনলেন ঐ মহাশব্দ মন্দিরের ভিতর থেকে আসছে। দ্বার-রক্ষকগণ তাড়াতাড়ি ঐ সংবাদ কাৰ্য্যাধ্যক্ষগণকে জানাল, তাঁরা এ সংবাদ রাজার নিকট উপস্থিত করলেন। রাজা মন্দির খুলে দেখতে আদেশ দিলেন। অতঃপর মন্দির খোলা হল। অদ্ভুত ব্যাপার, ভাগবত-পাঠিকা শ্রীশচীদেবী একাকী দাঁড়িয়ে আছেন। জগন্নাথের সেবক পাণ্ডাগণ মনে করতে লাগলেন—তিনি জগন্নাথ দেবের অলঙ্কার পত্রাদি হরণ করবার জন্য অলক্ষ্যে প্রবেশ করেছেন। অনেকে বললেন তা হতে পারে না। নিশ্চয় কোন রহস্য আছে। অনন্তর শ্রীশচী দেবীকে বিচারাধীন করে বন্দীশালে রাখা হল। শ্রীশচীদেবী এতে মুহ্যমান হলেন না। তিনি সানন্দে কৃষ্ণনাম করতে লাগলেন। রাজা মুকুন্দদেব শেষ রাত্রে স্বপ্ন দেখছেন শ্রীজগন্নাথদেব রাগ করে বলছেন— শচীকে এখনই বন্দীশালা হতে মুক্ত করে দে। আমি তাঁর স্নানার্থে নিজ চরণ থেকে গঙ্গা নিঃসৃত করে মন্দিরে আনিয়েছি। মঙ্গল যদি তুমি চাও পূজক পাত্তাগণসহ শচী-চরণে ক্ষমা প্রার্থনা কর এবং তার থেকে মন্ত্র গ্রহণ কর। 
এ স্বপ্ন দেখে রাজা খুব সন্ত্রস্ত হলেন এবং প্রাতে শীঘ্র স্নানাদি সেরে পূজারী পাণ্ডাগণসহ যেখানে শ্রীশচীদেবীকে বন্দী করে রাখা হয়েছিল, সেখানে এলেন ও শীঘ্র তাঁকে মুক্ত করে তাঁর চরণে সাষ্টাঙ্গে দণ্ডবৎ হয়ে পড়লেন। রাজা বহু অনুনয়-বিনয় সহ শ্রীশচীদেবীর চরণে ক্ষমা প্রার্থনা করতে লাগলেন এবং জগন্নাথদেবের আদেশ জানিয়ে মন্ত্র প্রার্থনা করতে লাগলেন। শ্রীজগন্নাথদেবের এ লীলা দেখে শ্রীশচীদেবী প্রেমে ক্রন্দন করতে লাগলেন ও রাজাকে ভাগ্যবান বলে শিরে হস্ত দিয়ে আশীর্ব্বাদ করলেন। অতঃপর শ্রীশচীদেবী শ্রীজগন্নাথদেবের আদেশ জেনে এক শুভদিনে শ্রীমুকুন্দদেবকে রাধাকৃষ্ণ মন্ত্র দীক্ষা প্রদান করলেন । রাজার সঙ্গে বহু পূজারীও তাঁর চরণ আশ্রয় করলেন। সেই দিন থেকে শ্রীশচীর নাম হল শ্রীগঙ্গামাতা গোস্বামিনী। 
মহারাজ শ্রীমুকুন্দদেব গুরু দক্ষিণা স্বরূপ কিছু ভূসম্পত্তি শ্রীগঙ্গা মাতাকে দিতে চাইলেন। তিনি রাজী হলেন না, বললেন তোমার শ্রীকৃষ্ণচরণে ভক্তি হউক এইমাত্র আমি চাই। অন্য কোন দক্ষিণা গ্রহণের অধিকারিণী আমি নহি। রাজা বারংবার শ্রীগঙ্গামাতার চরণে কাতর প্রার্থনা করতে লাগলেন। অবশেষে শ্রীগঙ্গামাতা বৈষ্ণব সেবার্থে দুই ভাণ্ড মহাপ্রসাদ, এক ভাণ্ড তরকারী, একখানি প্রসাদী বস্ত্র, দুই পণ কড়ি (১৬০ পয়সা) প্রত্যহ মধ্যাহ্ন ধূপের পর মঠে প্রেরণ করবার অনুমতি দিলেন। অদ্যাবধি সে মহাপ্রসাদ নিয়মিত শ্রীগঙ্গামাতা মঠে প্রেরিত হয় এবং উহা শ্রীগঙ্গামাতার সমাধি পীঠে অর্পণ করা হয়। 
একবার মহীধর শর্মা নামক একজন স্মার্ত্ত ব্রাহ্মণ পণ্ডিত শ্বেত গঙ্গার তীরে পিতৃ-পুরুষগণের তর্পণাদি করতে আসেন এবং শ্রীগঙ্গামাতা গোস্বামিনীর মহিমা শুনে তাঁর চরণ দর্শন করতে যান। শ্রীগঙ্গামাতা পণ্ডিতকে বহু সম্মান দিয়ে আসনে বসান এবং তাঁর অভিপ্রায় শুনতে চাইলেন। পণ্ডিত ব্রাহ্মণ সরলতার সহিত অভিপ্রায় ব্যক্ত করলেন। তাঁর সরলতা দেখে শ্রীগঙ্গামাতা তাঁকে ভাগবত সিদ্ধান্ত শুনাতে লাগলেন। ব্রাহ্মণ সেই অপূৰ্ব্ব ভাগবত সিদ্ধান্ত সকল শ্রবণ করতে করতে একেবারেই মুগ্ধ হয়ে পড়লেন। পরে তিনি শ্রীগঙ্গামাতার চরণে আশ্রয় গ্রহণ করলেন। শ্রীগঙ্গামাতা শুভদিনে তাঁকে রাধাকৃষ্ণ মন্ত্র দীক্ষা প্রদান করলেন। মহীধর শর্মার জন্মস্থান ধনঞ্জয়পুর। শ্রীগঙ্গামাতার আদেশে তিনি গঞ্জাম জেলার বিভিন্ন অঞ্চলে শ্রীগৌর-নিত্যানন্দের নাম প্রেম প্রচার করতেন।

SHARE

Milan Tomic

Hi. I’m Designer of Blog Magic. I’m CEO/Founder of ThemeXpose. I’m Creative Art Director, Web Designer, UI/UX Designer, Interaction Designer, Industrial Designer, Web Developer, Business Enthusiast, StartUp Enthusiast, Speaker, Writer and Photographer. Inspired to make things looks better.

  • Image
  • Image
  • Image
  • Image
  • Image
    Blogger Comment
    Facebook Comment

0 comments:

Post a Comment