ভগবত গীতার সাথে পৃথিবীর অন্য সব ধর্ম গ্রন্থের মুল পার্থক্য?
1 ভগবত গীতা শুরু হচ্ছে প্রশ্ন দিয়ে। ভগবত গীতা আপনাকে প্রশ্ন করতে শেখায়, প্রশ্ন করা ও তার উত্তর খোঁজা এর মধ্যে দিয়ে ই বুদ্ধির বিকাশ সম্ভব।
যে সব গ্রন্থে কোনো প্রশ্ন নেই শুধু আদেশ নিষেধ আছে সেই গুলো পড়লে মানুষের বুদ্ধি র বিকাশ স্তব্ধ হয়ে যায়।
2 অর্জুন ভগবত গীতায়, ধর্ম, কর্তব্য, কর্ম, দর্শন ইত্যাদি বিষয়ে তার মনে যত প্রশ্ন আশা সম্ভব সব প্রশ্ন করেছেন অর্জুনের সব প্রশ্নের উত্তর শ্রী কৃষ্ণ যুক্তি দিয়ে প্রতিষ্ঠা করেছেন, অর্জুন সেই উওর এর পরিপ্রক্ষিতে আবার প্রশ্ন করেছেন শ্রী কৃষ্ণ আবার উত্তর দিয়েছেন, এই রূপ আমি আমার এই বোধ ত্যাগ করে আত্ম তত্ব বিষয়ে প্রশ্ন উত্তর এর মাধ্যমেই সত্যে উপনীত হওয়া যায়।
3 গীতায় অর্জুনের সব প্রশ্নের উত্তর দিয়েছেন শ্রী কৃষ্ণ তাই গীতার মুল শ্লোক গুলো বার বার অর্থ বুঝে পড়লে নিশ্চিত বুদ্ধি লাভ করা যায় কোনো পরিস্থিতি তেই কিংকরতব্যবিমূঢ় হতে হয় না।
অর্থ বুঝে গীতা পড়লে জীবন টা অনেক সহজ হয়ে ওঠে।
সারা পৃথিবীতে এই রকম আর একটা গ্রন্থ ও নেই যেখানে বলা হয়েছে জীবনে পরিস্থিতি যেমন ই আসুক না কেন ভেঙ্গে না পরে কর্তব্য, কর্ম নিষ্ঠার সাথে পালন করতে। তাই সমস্ত সনাতনী আচার্য্য বলেছেন একমাত্র প্রমাণ শাস্ত্র দেবকী পুত্র এর ভগবত গীতা (একং শাস্ত্রং দেবকীপুত্রগীতম্)। গীতা এমন কি বেদ কেও প্রশ্ন করতে শিখিয়েছে, গীতার দ্বিতীয় অধ্যায় টা মানুষের চোখ খুলে দেয় কোনো গ্রন্থ কেই অন্ধ ভাবে বিশ্বাস না করে যুক্তি দিয়ে প্রশ্ন করতে শেখায় ভগবত গীতা।
যুক্তি দিয়ে প্রত্যেক টা ধর্মীয় বিশ্বাস কে প্রশ্ন করে যখন যুক্তি সংগত উওর পাবেন তখন সেই শ্রদ্ধা টা স্থায়ী হবে।
0 comments:
Post a Comment